posnews.xyz

ব্যবসা করতে চাচ্ছেন? এই ৪টি ব্যবসা আজই শুরু করতে পারেন

সস্তা ব্যবসা যেমন চায়না থেকে কিছু জিনিস কিনে এনে বাংলাদেশের মার্কেটে বিক্রি করা টাইপ নয় বরং কিছু ব্যবসা নিয়ে আজকে কথা বলব যেগুলো আমাদের দেশে তেমন একটা হচ্ছে না। এই প্রতিটা ব্যবসাতেই পটেনশিয়াল আছে বলে আমি মনে করি।

১। Stratum Mark Support for Youtubers and Facebookers: ইদানিং কালে বেশ কিছু ইউটিউবার এবং ফেসবুকারস অনেক বেশী জনপ্রিয় হচ্ছে, তাদের প্রোডাক্ট বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু এদের অনেকেই তাদের কাজ ভাল পারলেও ব্যবসাটা ভাল জানে না বা এই হ্যসেলের মধ্যে তারা যেতে চাবে না। তাই তাদের এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে আপনি একটা সাপোরটিং প্রতিষ্ঠান খুলতে পারেন।  একটু সহজভাবে বলি, আপনি একটা ডিলিভারি দিবেন যেটা কিনা ঐ ইউটিউবার বা ফেসবুকার ডিজাইন দিবে ও বিক্রি করবে । অর্থাৎ আপনি একটা গার্মেন্টস এর কাছে গিয়ে চুক্তি করবেন এবং এর পর ঐ ইউটিউবার এর কাছে গিয়ে বলবেন যে, আপনি একটা টিশার্ট এর ডিজাইন দেন বা আমার ডিজাইনারের সাথে কথা বলবেন। বলবেন যে, আপনি আপনার ফলোয়ারদেরকে এই টিশার্ট কেনার জন্য ইন্সপায়ার করবেন এবং লাভের ৩০-৪০% পাবেন। এর পর আপনার ওয়েবসাইট শেয়ার করবে সেই ইউটিউবার। তারমানে হল, ব্যবসা আপনার, কিন্তু মার্কেটিং করবে সেই ইউটিউবার বা ফেসবুকার আর প্রোডাক্ট বানাবে সেই গার্মেন্টস। আপনি শুধু ম্যানেজ করবেন।

২। PO Boxing:  অনেক সময় দেখা যায় যে আপনি একজন ইউটিউবার বা অন্য কোন সেলেব্রিটিকে কিছু একটা গিফট পাঠাতে চান কিন্তু তার কাছে পৌঁছানো আপনার জন্য সম্ভব হয় না কারন আপনি একটা ছোট কোম্পানির মালিক। এই ক্ষেত্রে আপনি একটা মাধ্যম খুজেন যারা আপনার পক্ষ থেকে কোন একটা গিফট বা প্রপোজাল সেই ব্যক্তিকে পৌঁছে দিবে। এই পিও বক্সিং এর বিষয়টা আমাদের দেশে নাই তবে বাইরের দেশে অনেক প্রচলিত। আশা করা যায় আমাদের দেশেও এটা খুব দ্রুত চলে আসবে। তাই আপনি নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আপনি চাইলে সেই কোম্পানির কাছ থেকে অথবা সেই  ফেসবুকার বা ইউটিউবারের কাছ থেকে ফি নিতে পারেন। প্রথমে এই সারভিস আপনাকে ফ্রী দিতে হবে। এতে করে আপনার সাথে অনেক কোম্পানি বা ইউটিউবার এর কন্টাক্ট এড্রেস চলে আসবে। তখন আপনি মার্কেটিং করবেন এবং ফি নির্ধারণ করবেন।

৩। Non Fungible Tokens: যদিও বাংলাদেশে ক্রিপ্টোকারেন্সি অ্যালাউড না বলে এটা একটু কথিন হয়ে যাবে তবুও ভাল করেই সম্ভব। এর জন্য আপানেক যেটা করতে হবে গুগলের প্রথম ৫০০ পেজে  Non Fungible Tokens সম্পর্কে জা আছে সব পড়ে ফেলে নিজেকে এক্সপার্ট করতে হবে। এর পর আপনাকে যেতে হবে চারুকলায়। গিয়ে সেখানে আরটিস্টদের সাথে চুক্তি করবেন। বলবেন যে, তোমরা ছবি আকবা আর আমি সেগুলো বিক্রি করে দিব, আমাদের ৫০-৫০% লাভ। অবশ্যই ডিজিটাল ছবি। এতে করে আপনি হবেন কনসালটেন্ট। এই ব্যবসাগুলো বাহ্যিকভাবে খুব একটা ভাল দেখাচ্ছেনা কিন্তু এগুলোতে টাকা অনেক বেশী এবং প্রতিযোগিতা অনেক কম। তাই খুব কম সময়েই আশা করি আপনি নিজের অবস্থান করে নিতে পারবেন।

৪। রেকর্ড ব্রেকিংঃ আপনি হয়তো জানেন যে ব্যবসাতে মার্কেটিং কতটা ভুমিকা রাখে কিন্তু যদি কেউ গিনেস রেকর্ড করে এর পর সেটা নিয়ে মার্কেটিং করে তবে সেটা আরো চমৎকার হবেনা? তবে মজার ব্যপার হল আমাদের দেশের খুব কম মানুষই জানে কিভাবে  কিভাবে গিনেস রেকর্ড এর জন্য আপ্লাই করা লাগে, কত টাকা লাগে, কত সময় লাগে। আর তাদের না জানাকে কাজে লাগিয়ে আপনি একটা এজেন্সি দাড় করাতে পারেন। আপনা কাজ হবে কোম্পানির মারকেটিং ডিপার্টমেন্ট এর কাছে গিয়ে আপানার প্রস্তাব দেওয়া। আপনি বলেবেন যে, সামনে অমুক দিন আছে যেই দিন আপনাদের পক্ষে সম্ভব গিনেস এর এই রেকর্ডটা ভাঙা। এ ক্ষেত্রে আপনি একটা চার্জ নিবেন তাদেরকে হেল্প করার জন্য। আপনাকে অবশ্যই এই বিষয়ে জেনে এর পর এই ফিল্ডে নামতে হবে। কিন্তু মার্কেটিং এর জন্য এটা যেহেতু অনেক বড় একটা টপিক তাই এটাকে কাজে লাগিয়ে আপনি এগোতেই পারেন।

আরো পড়ুনঃ Content Creator-দের জন্য খালিদ ফারহানের পরামর্শ
এই Digital Skill গুলো আপনার থাকা উচিৎ

আর্টিকেলটা লেখা হয়েছে খালিদ ফারহান  ভাইয়ের বক্তব্য থেকে। উল্লেখ্য খালিদ ফারহান বাংলাদেশে ডিজিটাল মার্কেটিং এর জগতে এক বস মানুষ। তার এই আইডিয়া গুলো অসাধারণ। আপনি চাইলে ইমপ্লিমেন্ট করে দেখতে পারেন। কেননা একটা আইডিয়া কতটা ভাল সেটা ইমপ্লিমেন্ট না হলে বোঝা যায় না। 

Follow us on Facebook. 

One thought on “ব্যবসা করতে চাচ্ছেন? এই ৪টি ব্যবসা আজই শুরু করতে পারেন

Leave a Reply

Positivity
%d bloggers like this: